হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, বহুভাষাবিদ, দার্শনিক, পণ্ডিত, প্রত্নতত্ত্ববিদ, ঐতিহাসিক, সংস্কৃত বিশারদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা। ভারততত্ত্ব নিয়ে শাস্ত্রীকে আগ্রহী করেন রাজেন্দ্রলাল মিত্র। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের (১৯২১) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন এবং 'এশিয়াটিক সোসাইটি'র সভাপতি ছিলেন (১৯১৯-১৯২১)।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ৬ ডিসেম্বর, ১৮৫৩ সালে নৈহাটি, পশ্চিমবঙ্গে জন্মগ্রহণ করেন। আদি নিবাস- খুলনা জেলার কুমিরা গ্রামে।
- প্রকৃত নাম শরৎচন্দ্র ভট্টাচার্য। পারিবারিক পদবি- ভট্টাচার্য।
- তিনি বিএ ক্লাসে অধ্যয়নকালেই 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত 'ভারত মহিলা' প্রবন্ধটি রচনা করে 'হোলকার পুরস্কার' লাভ করেন।
- সংস্কৃত কলেজ থেকে তিনিই একমাত্র প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে উত্তীর্ণ (১৮৭৭) হওয়ায় তাকে 'শাস্ত্রী' উপাধি দেওয়া হয়।
- উপাধি- মহামহোপাধ্যায় (১৮৯৮), সি.আ.ই (১৯১১)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ডি.লিট (১৯২৭) উপাধিতে ভূষিত হন।
- তিনি ১৭ নভেম্বর, ১৯৩১ সালে মারা যান।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ:
উপন্যাস: 'কাঞ্চনমালা' (১৯১৬), 'বেণের মেয়ে' (১৯২০)।
'তৈল': এটি প্রথম 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
'বাল্মীকির জয়' (১৮৮১), 'বাঙ্গালা ব্যাকরণ' (১৮৮২), 'মেঘদূত ব্যাখ্যা' (১৯০২), 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' (১৯১৬), 'প্রাচীন বাংলার গৌরব' (১৯৪৬), 'বৌদ্ধধর্ম' (১৯৪৮), 'সচিত্র রামায়ণ'।
Content added By
Read more